আজকের পত্রিকা অনুসারে, ৮৭ বছর বয়সী গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এলাকায় তার কন্যার বাড়িতে সকাল ১০টায় মৃত্যুবরণ করেন।

পরবর্তীকালীন তথ্য অনুযায়ী, তার দেহ পিরোজপুর সদর উপজেলার পরিষদ চত্বরে দুপুর ১২টায় পৌঁছায়, যেখানে গার্ড অব অনার ও দাফনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের প্রতিবাদে প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং পরিবারকে দেহ নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়।

পরিবারের বিবরণে বলা হয়েছে, বিকেল পাঁচটার দিকে পুলিশ লাইনসের ভিতরে গোপনে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং দেহ পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারে উপস্থিত ফারুক হোসেন উল্লেখ করেন, গার্ড অব অনার প্রদান প্রক্রিয়ায় কোনো শীতল ব্যবস্থা না থাকায় তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

পিরোজপুর জেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাকের মন্তব্যে তিনি মানিক পশারীকে "ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা" বলে উল্লেখ করে গার্ড অব অনার ও দাফনের অনুমোদন প্রত্যাখ্যান করেন। পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জানান, গার্ড অব অনার প্রদান হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীমও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান নিশ্চিত করেছেন।

অন্যান্য সূত্রের তথ্য

দেশ রূপান্তর এবং ইত্তেফাকের প্রতিবেদনগুলোও একই ঘটনাকে তুলে ধরেছে, যেখানে পরিবারকে দেহ নিয়ে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত পুলিশ লাইনসের ভিতরে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা ও বাংলা ট্রিবিউন একইভাবে জামায়াতের নেতাদের বাধা এবং গার্ড অব অনার প্রদানকে উল্লেখ করেছে।

এই ঘটনায় অতিরিক্ত স্থানীয় ঘটনা যেমন নাজিরপুরে ঘটিত দুর্ঘটনা ও অন্যান্য অপরাধের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সেগুলি বর্তমান বিষয়ের সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা, দেশ রূপান্তর, ইত্তেফাক, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, বাংলা ট্রিবিউন।