দেশ রূপান্তর অনুযায়ী, ফ্রান্সজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ১,৮০০ জনের বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে এবং প্রায় দেড় হাজার দোকান ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানান, শনিবারের বিক্ষোভে ৫০০ জনের বেশি পুলিশ, জেনদারমেরি ও দমকলকর্মী আহত হয়েছে; তবে নিহতের সংখ্যা এখনও চূড়ান্ত নয়।
বিপরীতভাবে, BBC বাংলা ও জনকণ্ঠের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তার সংখ্যা যথাক্রমে অন্তত ১,২০০ এবং ১,২০০ জনের আশেপাশে রয়েছে, এবং নিরাপত্তা কর্মীর আঘাতের সংখ্যা প্রায় ১৫০ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পার্থক্যগুলো উভয় সূত্রের তথ্যের ভিন্নতা নির্দেশ করে।
বিক্রয়ক্ষেত্রের ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ সম্পর্কে, খুচরা ব্যবসায়িক সংগঠনের সভাপতি আলেক্সান্দ্র বোমবার্ড এলসিআই টেলিভিশনকে জানিয়েছেন যে ক্ষতি কয়েক শ কোটি ইউরোতে পৌঁছাতে পারে, যদিও সুনির্দিষ্ট হিসাব এখনো প্রস্তুত হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় জরুরি আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন, যেখানে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিমা ও আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে এবং প্যারিস, মার্সেই ও লিয়ঁ শহরের মেয়রদের সঙ্গে বৈঠক হবে; তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
প্যারিসে পুলিশ ৮৫৫ জনকে আটক করেছে, যা শহরের রেকর্ড গ্রেপ্তার সংখ্যা, এবং প্যারিসের সরকারি কৌঁসুলি জানিয়েছে যে ৫০০ জনের বেশি ব্যক্তি হেফাজতে ছিলেন। লিমোজের ঐতিহাসিক টাউন হলের অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তবে ১৪০ বছরের পুরোনো ভবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এই ঘটনাগুলো সম্পর্কে দেশ রূপান্তর উল্লেখ করেছে যে সরকার জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে, তবে ব্যবসা, নিরাপত্তা কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।






