প্রথম আলো রিপোর্ট করেছে যে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্যায়ে ম্যানচেস্টার সিটি ফিল ফোডেনের হ্যাটট্রিকে ৫-১ে গ্রীক ক্লাব একে এথেন্সকে পরাজিত করেছে। ফোডেন রিকো লুইসের পাস থেকে প্রথম গোল করেন, এরপর রায়ান শেরকির ফিনিশিং এবং শেষ পর্যন্ত নিজের হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন, পাশাপাশি একটি সহায়তা প্রদান করেন। এই জয়ে সিটি পূর্বে পিএসজি-র কাছে ৪-২ হারের পর ফিরে এসেছে।
লিভারপুলের উল্টো গেম
একই রাতে লিভারপুল ভিয়ারিয়ালকে ৪-৩ে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে। প্রথম আলো অনুসারে, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ৩৬তম মিনিটে কনস্তান্তিনোস সিমিকাসের কর্নার থেকে হেডে সমতা ফিরিয়ে আনেন, এরপর রোনাল্ড আরাউহো সমতা বজায় রাখেন, এবং রিও এনগুমোহা (১৮ বছর) শেষ পর্যন্ত জয়ের গ্যারান্টি দেয়া সুযোগ তৈরি করেন। ভিয়ারিয়ালের প্রথম দুই গোলের ক্রমে অন্যান্য সূত্র ভিন্নতা দেখায়।
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে ফোডেনের হ্যাটট্রিকের বয়স ২৬ বছর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রথম আলোতে বর্ণিত বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলা ট্রিবিউন ও চ্যানেল ২৪ উভয়ই উল্লেখ করেছে যে ভিয়ারিয়াল প্রথমে দুই গোল করে লিড নিয়েছিল; তবে বাংলা ট্রিবিউন গেজেস মিকাউতাদজে এবং সার্জি কার্দোনার নাম উল্লেখ করে, যেখানে প্রথম আলোতে একই নামগুলো (জর্জেস মিকাউতাদজে, সের্হি কার্দোনা) দেখা যায়। এই পার্থক্যগুলোকে উভয় সূত্রের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিভারপুলের কোচ আন্দোনি ইরাওলা ম্যাচে ছয়টি পরিবর্তন আনা সত্ত্বেও, রেনাটো ভেইগার গোলের সময় ভুল করে, যা ভিয়ারিয়ালের জয়ের সম্ভাবনা বাড়ায়। শেষ পর্যায়ে ভিয়ারিয়ালের আইওজে পেরেসের পাস থেকে তানি ওলুওয়াসেই একক গোল করে আশার সঞ্চার করে, তবে লিভারপুলের শেষের গোল দিয়ে জয় নিশ্চিত করে।
এই তথ্যগুলো প্রথম আলো, ইত্তেফাক, বাংলা ট্রিবিউন, চ্যানেল ২৪ এবং ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।






