চ্যানেল ২৪‑এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশব্যাপী সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে অবিলম্বে তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

ইনকিলাবের অতিরিক্ত বিবরণ

ইনকিলাবের অনুসরণে জানা যায়, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে, বিশেষ করে বিএনপি নেতাদের অর্থের বিনিময়ে ডিলার নিয়োগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি সরকারী নীতিমালা ও আদালতের আদেশকে উপেক্ষা করে সারের বিতরণে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে।

ইনকিলাবের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরওয়ার ডিলার নিয়োগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং জেলাভিত্তিক কমিটিতে রাজনৈতিক বিবেচনায় তিনজনকে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি দিনাজপুর, রংপুরের বদরগঞ্জ ও পীরগাছা উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় স্বজনপ্রীতি ও ঘুষের অভিযোগ উল্লেখ করেন।

ইত্তেফাকের রিপোর্টে উল্লেখিত দিক

ইত্তেফাকের কভারেজে একইভাবে বলা হয়েছে যে, মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি নেতাদের টাকার বিনিময়ে ডিলার নিয়োগের অভিযোগ তুলে, সরকারী অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির ফলে সারের সংকট বাড়ছে এবং কৃষকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন।

অন্যান্য তথ্য ও মন্তব্য

ইনকিলাবের প্রতিবেদনে "দ্য ডিসেন্ট" নামে একটি তদন্তের ফলাফল উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ১৪ জন বিএনপি সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় সারের সংকট ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ডিলারশিপ দেওয়া, ভুয়া গুদাম ও চুক্তিনামা ব্যবহার করার অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ডিলার তালিকায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতাদের নাম পাওয়া গেছে, যা রাজনৈতিক দলীয়করণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, উপরের সব তথ্য চ্যানেল ২৪ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে নেওয়া হয়েছে; কোনো অতিরিক্ত অনুমান বা মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।