বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শারদীয় দুর্গাপূজার বার্তা কোনো একক ধর্ম-সম্প্রদায়ের নয়, বরং এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য। সমাজের অসত্যকে বিনাশ করে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করাই পূজার মূল মর্মবাণী।
সোমবার সকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে উপস্থিত দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন বলে বাসস জানিয়েছে। এ সময় জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. দেবাশীষ পালসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন বলে সমকাল প্রতিবেদন করেছে।
রিজভী আরও বলেন, উৎসব সকল সীমারেখা অতিক্রম করতে শেখায় এবং ভ্রাতৃত্ববোধ প্রসারিত করে। এই সর্বজনীন আহ্বানে অন্যান্য ধর্মের মানুষও আনন্দ ও সংহতি অনুভব করেন। বাংলাদেশের হাজার বছরের ঐতিহ্য হলো, একের উৎসবে অন্য অংশগ্রহণ করে। কেউ কেউ এই ঐতিহ্যকে চক্রান্ত করতে পারে, কিন্তু দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ সেটি কখনো বাস্তবায়ন করতে দিবে না।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। এই দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে, শান্তিতে ও নিরাপত্তার সাথে উদযাপিত হয় সেটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং রাষ্ট্র সেটি পালন করছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
সরকারি সুবিধা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের আবেদনে দুদিনের ছুটির বদলে সরকার তিনদিনের ছুটি ঘোষণা করেছে, ফলে মোট পাঁচদিন ছুটি উপভোগ করা যাচ্ছে। পূজামণ্ডপ-মন্দিরের জন্য চাঁলের বরাদ্দ ৫০০ কেজি থেকে বেড়িয়ে ৬০০ কেজি করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েতদের মাসিক সম্মানী দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে, যা বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন বলে তিনি জানান।
তারা রহমানের ভূমিকা নিয়ে রিজভী বলেন, ধর্মবিশ্বাস যার যার, কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রত্যেকের ধর্মীয় অধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করা—এটি তারেক রহমান নিশ্চিত করেছেন বলে বাসস উদ্ধৃত করেছে। তবে চ্যানেল ২৪ তারেক রহমানকে 'প্রধানমন্ত্রী' বলে উল্লেখ করেছে, যা তথ্যগত ভুল হতে পারে কারণ তিনি বিএনপির कार्यবাহক চেয়ারম্যান। এই বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।






