আজকের পত্রিকা অনুসারে, শরৎকালে দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমার টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের ভিড় বেড়ে গেছে। মঙ্গলবার কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে ভিড়ের দৃশ্য দেখা গিয়েছে।
বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে লাবণী পয়েন্টে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন উৎসব অনুষ্ঠিত হবে; এই আয়োজনের আশেপাশে বৃহৎ জনসমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আজকের পত্রিকা উল্লেখ করেছে।
হোটেল মালিকদের মতে, বুধ থেকে শনিবার পর্যন্ত অধিকাংশ হোটেল‑মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউসের ৯০ শতাংশ কক্ষ বুক করা হয়েছে। মাঝারি মানের হোটেল‑রিসোর্টে ৮০‑৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং রয়েছে। সমকালের প্রতিবেদনে (সমকাল) ২০টি তারকা হোটেলে ৯৫ শতাংশ এবং মাঝারি হোটেলে ৮০ শতাংশ বুকিং উল্লেখ করা হয়েছে, আর জনকণ্ঠে ৯০ শতাংশ বুকিং উল্লেখ করা হয়েছে; এ পার্থক্যগুলোকে যথাযথভাবে উল্লেখ করা দরকার।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের বিচকর্মীদের সহকারী সুপারভাইজার বেলাল হোসেনের দল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনটি পয়েন্টে কমপক্ষে ৮০,০০০ পর্যটককে পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে, জনকণ্ঠের তথ্য অনুযায়ী, সি-সেইফ লাইফগার্ড, টুরিস্ট পুলিশ, এসআরবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও আনসারসহ বিভিন্ন সংস্থা নিরাপত্তা তদারকি করছে।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) উখিয়ার পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটক প্রাণ হারায়; এই ঘটনার পর কিছু পর্যটক বুকিং বাতিল করে শহরের হোটেল বেছে নেন। এছাড়া, হিমচরি মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘর‑সংলগ্ন সৈকতে বুধবার বিকেল ৫:৩০ টার দিকে তিনজনের মৃত্যু এবং অতিরিক্ত তিনজনের ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা নিরাপত্তা উদ্বেগকে তীব্র করেছে। মূল সূত্রে আরও উল্লেখ আছে যে, নরসিংদীর পলাশের বাসিন্দা আল আমিনের চার বছর বয়সী মেয়ে টমটমের ধাক্কায় মারা গিয়েছে এবং আগুনের পর মেহেরুননেসা মিলা ও স্বামী মাসুদ মিয়া গুরুতর আহত হলেও বেঁচে গেছেন।
কক্সবাজার হোটেল‑মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মোট ৫০০‑এর বেশি হোটেল‑মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউস প্রায় ১,৮০,০০০ পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা করতে পারে। সমকালের প্রতিবেদনে এই সংখ্যা ১,৬৮,০০০ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং মোট ১০ লাখ পর্যটকের সম্ভাব্য আগমন ও ৯০০‑১০০০ কোটি টাকার ব্যবসা প্রত্যাশা করা হয়েছে। এই পার্থক্যগুলো যাচাই করা প্রয়োজন।






