চ্যানেল আই অনুসারে, চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে বন্দি থাকা আনোয়ার হোসেন ইংরেজ (বয়স ৬৪) বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১:৫৫-এ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি মারামারির মামলায় সাজা পেয়ে কারাগারে ছিলেন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে কারাগারে ছিলেন।

জেলার শাখাওয়াত হোসেন জানান, হোসেন ১৭ অক্টোবর থেকে কারা হাসপাতালে হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার জন্য চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবনতি হলে তাকে ২৩:০৫ (চ্যানেল আই) অথবা ২৩:২৮ (ইত্তেফাক) সময়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মৃত্যুসনদে হোসেনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগের আক্রমণ (হার্ট অ্যাটাক) উল্লেখ করা হয়েছে (চ্যানেল আই)। অন্যদিকে, সমকালের প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ হিসেবে তীব্র করোনারি সিনড্রোম, ডায়াবেটিস মেলিটাস, ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা ও উচ্চ রক্তচাপ উল্লেখ করা হয়েছে।

হোসেনের বিরুদ্ধে জি আর মামলা নং ৭০৪/১৯ এবং টি আর মামলা নং ৯৬/২০-এ দণ্ডবিধি ধারা ৩২৪ অনুযায়ী দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০,০০০ টাকার জরিমানা আরোপিত হয়েছিল; জরিমানা না পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত ৬০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও ছিল (চ্যানেল আই, সমকাল)।

মৃত্যুর পর সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে এবং বিধি অনুযায়ী মরণোত্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেহ স্বজনদের হস্তান্তর করা হবে।

আনোয়ার হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র স্কুলপাড়ার মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় বিএনপি প্রবীণ নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবার অবহেলার অভিযোগ তুলেছে (আজকের পত্রিকা)।