ইত্তেফাকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় চৌগাছা‑যশোর সড়কের টালিখোলা মোড়ে একটি মোটরসাইকেল এবং বিপরীত দিক থেকে আসা পিকআপের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
সংঘর্ষে জড়িত দুই তরুণের নাম অয়ন হোসেন (২২) ও মিথিলা খাতুন (১৭)। ইত্তেফাক জানায়, অয়নের পিতা নজরুল ইসলাম, যিনি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায় অবস্থিত আজমপুর গ্রাম থেকে। মিথিলার পিতা নাজমুল ইসলাম, যিনি চৌগাছা পৌরশহরের বাকপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। বাসস ও ঢাকা পোস্ট উভয়ই একই পারিবারিক তথ্য উল্লেখ করেছে।
যাত্রার বিবরণ ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি
উভয় তরুণ চৌগাছা থেকে যশোরের দিকে অড়ারদাহ ক্যাফেতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে ছিলেন। ইত্তেফাক, বাসস এবং ঢাকা পোস্টের মতে, মোটরসাইকেলটি মিথিলা চালাচ্ছিলেন; ঢাকা পোস্টে উল্লেখ আছে যে সাইকেলটি নম্বরবিহীন ছিল। টালিখোলা মোড়ে পিকআপের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ায় দুজনই গুরুতরভাবে আহত হন। পিকআপ চালক ঘটনাস্থল থেকে পলায়ন করেন; বাসস অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেছে যে চালক মহেশপুরের দিকে পালিয়ে গেছেন।
চিকিৎসা ও মৃত্যুর পরিণতি
স্থানীয়দের তাড়া করে আহতদের যশোরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইত্তেফাকের মতে, সেখানে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার অয়নের মৃত্যুর ঘোষণা দেন। মিথিলার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল (ঢাকা পোস্টে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) রেফার করা হয়। ঢাকা যাওয়ার পথে, অ্যাম্বুলেন্সে মিথিলার মৃত্যু ঘটে; বাসস উল্লেখ করেছে যে তিনি পদ্মা সেতু পার হওয়ার আগে মারা যান।
পুলিশের মন্তব্য ও আইনি প্রক্রিয়া
চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশীদ ইত্তেফাক ও অন্যান্য সূত্রে জানিয়েছেন যে, স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে দুজনই প্রেমিক‑প্রেমিকা ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মৃতদেহগুলো যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং পিকআপ চালক এখনও গ্রেফতার হয়নি। আইনি ব্যবস্থা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই ঘটনায় সময়ের সুনির্দিষ্টতা সম্পর্কে কিছু পার্থক্য আছে: ইত্তেফাক সন্ধ্যায় সংঘর্ষের উল্লেখ করেছে, যেখানে বাসস প্রায় বিকেল ৪টায় ঘটেছে বলে জানিয়েছে। এছাড়া, মিথিলার রেফার করা হাসপাতালে নামেও ছোটখাটো পার্থক্য দেখা যায়।






