BBC বাংলা অনুসারে, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর বিএনপি সংরক্ষিত আসনের এমপি ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি পহেলা অক্টোবর তারেক রহমানের নির্দেশে পদত্যাগ করেন। একই সময়ে, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও মাদক বিরোধী অভিযান সম্পর্কিত বিতর্কের পর পদত্যাগ করেন; তার পদত্যাগের কারণ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল কিনা তা নিয়ে আলোচনা চলছে, যদিও হোসেন নিজে বলেছেন তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেন যে, দলের মধ্যে নৈরাজ্য বাড়ার ফলে প্রধানমন্ত্রী 'স্যাম্পল অ্যাকশন' হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন, যা দল ও সরকারের জন্য ইতিবাচক হতে পারে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য কামরুল আহসান বলেন, সরকার অল্প সময়ের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত তা স্বীকার করার ইঙ্গিত দেয়।
বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের মূল বার্তা হল অপরাধ বা অন্যায়ের জন্য কোনো রেহাই থাকবে না। এছাড়া, একটি বিএনপি নেতা বলছেন, ইশরাকের মাদক সংক্রান্ত মন্তব্য সঠিক হলেও, তার পদত্যাগ না করলেও হিরোইজমের ঝুঁকি থাকত।
এই ঘটনাগুলি বিএনপি দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।






