দক্ষিণ-পূর্ব ও সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপের ব্যবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে দৈনিক অবজার্ভারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ 웨দার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) শনিবার জারি একটি পূর্বাভাসে বলেছে, এই ব্যবস্থা ক্রমাগত শক্তিশালী হয়ে আগামী তিন-চার দিনে ঘূর্ণিঝড় আকার নিতে পারে।

বিডব্লিউওটির পূর্বাভাস অনুযায়ী লঘুচাপটি আগামী ছয় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে ডিপ্রেশনে, তারপর ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে গভীর ডিপ্রেশনে এবং অবশেষে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এর প্রভাব থেকে ২৭ বা ২৮ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হতে পারে।

অন্যদিকে, ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের হवाले জানানো হয়েছে, লঘুচাপটি ইতিমধ্যে ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী পাঁচ দিনের শেষের দিকে দেশজুড়ে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর দিনভিত্তিক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ২৫ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের এক-দুই জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রপাত হতে পারে, দেশের অন্যত্র मुख্যভাগে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। ২৬ অক্টোবরেও চট্টগ্রাম বিভাগে এক-দুই জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৭ অক্টোবর থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রপাত শুরু হতে পারে। ২৮ অক্টোবর থেকে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রপাতের সম্ভাবনা বাড়বে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

দুটি উৎসের পূর্বাভাসে সময়সূচির কিছু পার্থক্য রয়েছে। বিডব্লিউওটি ২৭-২৮ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী বৃষ্টির কথা বলেছে, আবহাওয়া অধিদপ্তর ২৭ অক্টোবর থেকে কিছু বিভাগে এবং ২৮ অক্টোবর থেকে প্রায় সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় গঠনের সময়সূচি সম্পর্কেও বিডব্লিউওটি ৪৮ ঘণ্টার কথা উল্লেখ করেছে, আবহাওয়া অধিদপ্তর এই বিষয়ে স্পষ্ট সময়সূচি দেননি।