আজকের পত্রিকা অনুসারে, আগস্টে বাংলাদেশি বিদেশে মোট ৯৮৭ কোটি টাকা কার্ডে ব্যয় করেছে, যা দেশের ভিতরে বিদেশিদের ২৪৯ কোটি টাকার ব্যয়ের চেয়ে প্রায় চার গুণ বেশি। একই সময়ে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে বিদেশে ব্যয় ৯৮৫ কোটি টাকা থেকে মাত্র বাড়ে ৯৮৭ কোটি টাকা।

দেশীয় বাজারে বিদেশিদের কার্ড ব্যয় এক মাসে ৬.২৭% বাড়ে, ২৩৪ কোটি টাকা থেকে ২৪৯ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তবে দেশীয় ক্রেডিট কার্ড লেনদেন জুলাইয়ের ৪,৩২৪.৮০ কোটি টাকা থেকে আগস্টে ৪,৪৮৯.৩০ কোটি টাকায় নেমে ৫.৪৪% হ্রাস পেয়েছে। ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের ৪৮.১৪% বিভাগীয় স্টোরে, ১২.৬৭% রিটেইল আউটলেটে, ১০.৮০% ইউটিলিটি বিল পরিশোধে, ৬.৯৪% ওষুধ ও ফার্মেসিতে, এবং ৬.৪৩% নগদ উত্তোলনে হয়েছে। রিটেইল আউটলেটের লেনদেন ৪৮৭.৯০ কোটি টাকা থেকে ৫১৮.৩০ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্ডের ধরনভেদে ব্যয় ও ব্যবহার

অগাস্টে বিদেশে বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ডে ৫০৪.৬০ কোটি টাকা, ডেবিট কার্ডে ৪২২.১০ কোটি টাকা এবং প্রিপেইড কার্ডে ৬০.১০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে, মোট বৈদেশিক ক্রেডিট লেনদেনের ১৭.১৬% সেখানে হয়েছে; পরবর্তীতে থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, ভারত ও সিঙ্গাপুর। ডেবিট কার্ডের শীর্ষ গন্তব্য যুক্তরাজ্য (১৪.১৯%) এবং প্রিপেইড কার্ডের ক্ষেত্রে ভারত (১৮.৭১%)।

সারাবাংলা প্রতিবেদনে একই সময়ে কার্ডের সংখ্যা সম্পর্কে আরও বিশদ তথ্য দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর শেষে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ২,৪২,২৫,১৬৪, ক্রেডিট কার্ড ১৭,৬২,৯৭৮ এবং প্রিপেইড কার্ড ১০,২৬,৫৮০ ছিল। আগস্ট ২০২৬-এ এই সংখ্যা যথাক্রমে ৪,৮৭,৮০,৮০৪, ২৮,৫,৪৪৯ এবং ৯২,৭০,৯৮৮ হয়েছে। আজকের পত্রিকায় এই সংখ্যা রাউন্ড করে ৪ কোটি ৮৭ হাজার, ২৮ লাখ ৫ হাজার ও ৯২ লাখ ৭১ হাজার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; এ নিয়ে পার্থক্য রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে জানান, নগদ লেনদেন নিরুৎসাহিত করে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, যার মধ্যে বাংলা QR কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়ানোর পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত।