বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, সৌদি আরবে গত বুধবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বাংলাদেশি নারী টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সোমবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় প্রকাশ করেছে।
নিহত নারীর পরিবার জানিয়েছে, তিনি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব गये ছিলেন। পাসপোর্ট ২০২২ সালের মে মাসে ইস্যু হয়েছিল এবং বিএমইটি থেকে ক্লিয়ারেন্স मिलেছিল।
পরিবারের সদস্যদের মতে, সৌদি আরব যাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত তিনি নিয়মিত টাকা পাঠাতেন এবং ফোন করতেন। কিন্তু কারাগারে যাওয়ার পর টাকা পাঠানো বন্ধ হয়ে যায়। তিনি কারাগার থেকেই প্রতি ১৫-৩০ দিন পরপর ফোন করতেন এবং গত বুধবারও ফোন করেছিলেন, যদিও লাইন সমস্যায় কথা হয়নি।
নিহত নারীর বড় বোন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, তিনি ফেসবুকে ভিডিও দেখে মৃত্যুদণ্ডের খবর পেয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছেন, নারীটি কখনোই অপরাধের কারণ বা সহ-অভিযুক্ত পুরুষের বিষয়ে পরিবারকে কিছু বলেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ জানিয়েছেন, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঙ্গলবার সকালে নারীর বাড়ি ও পরিবার সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত পররাষ্ট্র বা প্রবাসী মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবার যদি মরদেহ আনার আবেদন করে, তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।






