সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত যুব ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৫০ ওভারে ৩০৪ রান করে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সমান স্কোরে পৌঁছায়। দু'দলই ৫০ ওভারের শেষে ৩০৪ করে, ফলে ম্যাচটি টাই হয় এবং সুপার ওভারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সুপার ওভারে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ১ উইকেটের সঙ্গে ১০ রান তৈরি করে, এরপর রুবাই ইসলাম রিজনের বোলিংয়ে আফগানিস্তান মাত্র ১ উইকেটের সঙ্গে ৩ রান করে, ফলে রিজনের শেষ ওভারের ১৪ রান তোলার পর বাংলাদেশ জয়ী হয়।

বাংলাদেশের রুবাই ইসলাম রিজন ১৯ রান (১৯ বল) করে ৪টি উইকেটের সঙ্গে ৭২ রান দেন, যা তার সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এসকে জারিফ সিয়াম ও আবদুল্লাহ আল মুহি প্রথম অংশীদারিত্বে ৭০ রান যোগ করেন, যেখানে জারিফ ২২ এবং আবদুল্লাহ ৫০ রান করেন। আল আমিন হোসেন ৫৬ রান, আহসান আল মুমিনও ৫৬ রান করে দলকে ২৩৯ রানে স্থিতিশীল করেন। শাকিল খান, রাবিউল ইসলাম অনিক এবং ফরিদ হাসান সহ অন্যান্য খেলোয়াড়ের অবদান উল্লেখ করা হয়েছে।

আফগানিস্তানের নোমান সালারজাই ৭৬ রান (৯০ বল) করে শীর্ষ স্কোরার ছিলেন, পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা সহ। ফারিদুল্লাহ ইহসাস ৫১ রান এবং তাহির সারওয়ার ৪৩ রান করে দলকে ৩০৪ রানে পৌঁছাতে সাহায্য করেন। শেষের দিকে আমির হামজা ১১ বলে ২১ রান যোগ করেন।

সারাবাংলা অনুযায়ী আফগানিস্তানের মোট স্কোর ৩০৫ রান (৯ উইকেট) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সমকালের ৩০৪ রানের তথ্যের সঙ্গে ভিন্ন। এছাড়া সারাবাংলা নোমান সালারজাইয়ের স্কোর ৭৯ রান (৯০ বল) হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেখানে সমকাল ৭৬ রান বলে। বাংলাদেশের জারিফ সিয়ামের রান সম্বন্ধে সারাবাংলা ৩৪ রান উল্লেখ করেছে, যেখানে সমকাল ২২ রান বলে। এই পার্থক্যগুলো উভয় সূত্রের মধ্যে ভিন্নতা নির্দেশ করে।

ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই ম্যাচটি মোট ৬০৮ রান নিয়ে শেষ হয়েছে এবং রুবাই ইসলাম রিজনের শেষ ওভারে ১৪ রান তোলার পর বাংলাদেশ জয়ী হয়েছে।

এই তথ্য সমকাল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।