প্রমিত বাংলা অনুযায়ী, প্রোথোম আলো ইংরেজির তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জুলাই ২০২৫-এ ওডিআই ক্রিকেটে সাদা বলের নতুন নিয়ম প্রয়োগ করে। প্রথম ৩৪ ওভারের জন্য দুইটি আলাদা বল ব্যবহার করা হয়; এরপর ক্যাপ্টেন একটি পুরোনো, রফ বল বেছে নেন, যা রিভার্স সুইংয়ের জন্য উপযোগী।

এই নিয়মের প্রভাব বাংলাদেশ দলের উপর স্পষ্ট হয়েছে। ২০ অক্টোবর, আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ত্রি-জাতীয় সিরিজে বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের পার্থক্যে পরাজিত হয় (জিম্বাবুয়ে ২৭১/৮, বাংলাদেশ ১৭২ সবআউট ৩৪ ওভারে)। পোস্ট‑ম্যাচে টাসকিন আহমেদ বলেছিলেন, ব্যাটিং ব্যর্থতা দলকে হারাতে প্রধান কারণ। তিনি ১০ ওভারে ৩ উইকেটের সঙ্গে ৪৪ রান দিয়েছেন, তবে শেষের দুই ওভারে ১৯ রান ছাড়াই কোনো উইকেট নিতে পারেননি। একইভাবে, মুস্তাফিজুর রহমানের শেষের তিন ওভারে ২৪ রান ছাড়া কোনো উইকেট না পাওয়া যায়।

সুইং বৃদ্ধি, ফলাফল হ্রাস

সিক্রিভিজের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মুস্তাফিজুরের সুইং ৪৯.৫% এবং টাসকিনের সুইং ৪০.৮% বাড়লেও, দুজনেরই ডেথ ওভারে বোলিং গড় ও ইকোনমি রেট বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, আলজারি জোসেফ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) এবং লুংগি এনগিডি (দক্ষিণ আফ্রিকা) সুইং বাড়ার সঙ্গে গড় ও ইকোনমি কমিয়ে সফল হয়েছে।

নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশ ডেথ ওভারের রানের হার ৭.৮৪ থেকে ৬.৫৬-এ নেমে এসেছে, যা প্রতি ওভারে ১.২৮ রান কমে যাওয়া নির্দেশ করে। এই হ্রাস বিশ্বকাপ ২০২৭-এ দলের পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করতে পারে, কারণ টুর্নামেন্টটি দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া-তে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রোথোম আলো ইংরেজি অনুসারে, দক্ষিণ আফ্রিকায় এখন পর্যন্ত কেবল তিনটি ওডিআইই এই নিয়মে খেলা হয়েছে, ফলে পর্যাপ্ত ডেটা না থাকলেও রিভার্স সুইং ও বাউন্সের সমন্বয় ব্যাটিংকে কঠিন করে তুলতে পারে।

সারসংক্ষেপে, বাংলাদেশকে রিভার্স সুইংকে কার্যকর অস্ত্রে রূপান্তরিত করতে হবে এবং ব্যাটিং কৌশল পুনর্বিবেচনা করে মধ্য‑ওভারেও স্কোর বাড়াতে হবে, যাতে ২০২৭ বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতামূলক থাকতে পারে।

— প্রোথোম আলো ইংরেজি