বাংলা ট্রিবিউন অনুসারে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনের দায়িত্বে ট্রাফিক পুলিশ ও থানা সদস্যরা বাসস্ট্যান্ড চৌরাস্তার কাছে যানবাহন রিকুইজিশন ডিউটি করছিলেন। বিকাল সাড়ে পাঁচটায় পঞ্চগড় দিক থেকে আসা ঢাকা‑মেট্রো‑এন‑১৪‑৪০১২ নম্বরের হলুদ পিকআপটি থামার সংকেত উপেক্ষা করে, কনস্টেবল আব্দুস সালেককে আঘাত করার চেষ্টা করে।

কনস্টেবল সালেক গাড়ি থামিয়ে চালককে নথিপত্র দেখাতে ও সার্জেন্ট শাহাজাহান আলীর সঙ্গে কথা বলতে বলেছিলেন। তবে চালক মিজানুর রহমান (৩৮) এবং তার সহকারী রায়হান আলম (২৩) নথিপত্র না দেখিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পালানোর সময় তারা গাড়ি ডান দিকে মোড়িয়ে কনস্টেবলকে মারার উদ্দেশ্যে তীব্রভাবে ধাক্কা দেন এবং প্রায় দশ থেকে পনেরো হাতের দূরত্বে টেনে‑হিঁচড়ে নেন।

কনস্টেবলের চিৎকার শোনার পর সহকর্মী পুলিশ সদস্য ও পথচারীরা পিকআপটি থামিয়ে নেন; কনস্টেবল আহত হলেও প্রাণ রক্ষা পান। মিজানুর রহমান ও রায়হান আলমকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করে থানার এসআই (নিরস্ত্র) মনিরুজ্জামান তদন্তের দায়িত্বে নিয়েছেন।

গৃহীত অভিযোগের মধ্যে সরকারি কর্মচারীকে আঘাত, হত্যাচেষ্টা এবং সরকারি কাজে বাধা প্রদানসহ দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা অন্তর্ভুক্ত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুজনই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে, ২৪ অক্টোবর শনিবার ঠাকুরগাঁও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আজকের পত্রিকাও একই ঘটনা রিপোর্ট করেছে এবং অতিরিক্তভাবে ওই দিনে শহরের আর্ট গ্যালারি এলাকায় অন্য একটি চুরির ঘটনা ও রাজনৈতিক মন্তব্যের উল্লেখ করেছে, তবে তা মূল ঘটনায় সরাসরি প্রভাব ফেলে না।

এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউন অনুসারে।