ইত্তেফাক অনুসারে, চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের একটি ভবনে ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, এটি দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের ফল। ভবনের দ্বিতীয় তলার দুটি কক্ষের আসবাবপত্র পুড়ে গিয়েছে, তবে কোনো হতাহত রিপোর্ট করা হয়নি।
চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে, স্টেশন লিডার নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে কাজ শুরু করে। অগ্নি রাত ৩:৫৫ টায় নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ৪:১০ টায় সম্পূর্ণ নিভে যায়। ফায়ার সার্ভিসের অনুমান অনুযায়ী, ক্ষতি প্রায় এক লাখ টাকার সমান।
ব্যাংকের জোনাল ম্যানেজার তাপস আচার্য জানান, রাত ৩টার দিকে নৈশপ্রহরী শাখা ব্যবস্থাপককে জানালেন যে অজ্ঞাতপরিচয় কেউ জানালার মাধ্যমে ঢিলের মতো কিছু নিক্ষেপ করে। শাখা ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে আচার্যকে ফোনে জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করার নির্দেশ দেন। আচার্য জানান, তিনি দুর্গাপূজার ছুটিতে ঢাকায় ছিলেন, তবে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ছুটি বাতিল করে চাঁদপুরে ফিরে আসেন। তিনি যোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের কোনো ক্ষতি হয়নি।
শাখা ব্যবস্থাপক মাহমুদা আক্তার ২৪ অক্টোবর (শনিবার) দুপুরে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপারintendেন্ট মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খায়রুল কবির এবং ওসি ফয়েজ আহমেদ। ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, তদন্ত চালিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। বাংলা ট্রিবিউন ও ইনডিপেনডেন্ট টিভি অনুযায়ী, ক্ষতি প্রায় দুই লাখ টাকার সমান এবং নিক্ষিপ্ত বস্তুটি পেট্রোলভর্তি বোতলজাতীয় কিছু ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইত্তেফাক ও আজকের পত্রিকা উভয়ই ক্ষতি এক লাখ টাকার আশেপাশে এবং নিক্ষিপ্ত বস্তুটি পেট্রলবোমা হতে পারে, তবে নিশ্চিত নয় বলে উল্লেখ করেছে। এই পার্থক্যগুলি সংশ্লিষ্ট আউটলেটের তথ্য অনুযায়ী উল্লেখ করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পরে স্পষ্ট হবে।






