নাটোর‑পাবনা মহাসড়কে, বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে, বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩০ বছর বয়সী আনোয়ার হোসেনের প্রাণ ত্যাগ হয়। ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর প্রায় ৫ টায় ঘটেছে।
আনোয়ার রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের চাঁইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন এবং সম্প্রতি একটি নতুন প্রকল্পে যোগ দিয়ে নতুন চাকরি পেয়েছিলেন। বাড়ি ফেরার পথে তিনি বাসে চড়ে নাটোর‑রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়ায় নেমে সরাসরি ভিটায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা করছিলেন; তিনি ফোনে পরিবারকে বাড়ি ফেরার কথা জানিয়েছিলেন।
বস্তুত সংঘর্ষে আনোয়ার ছাড়াও মোট ১৩ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয় (ইত্তেফাক)। তবে একাত্তর টিভি অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১৪, আর চ্যানেল ২৪ একইভাবে ১৩ মৃত উল্লেখ করেছে; আহত সংখ্যা উভয়ই ২৫। এই পার্থক্যগুলো সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আনোয়ারের স্ত্রী ফাতেমা বিবি দুই সন্তানসহ কনোপাড়া গ্রামে তার বাবার বাড়িতে ছিলেন। তিনি স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকের মধ্যে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম জানান, পরিবারকে ঘটনাটি জানানো হয়েছে এবং মরদেহ হস্তান্তরের জন্য বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি পরিবহনের বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। আহতদের নাটোর, রাজশাহীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই তথ্য ইত্তেফাকের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য স্থানীয় মিডিয়ার (চ্যানেল ২৪, একাত্তর টিভি, সমকাল) কভারেজের সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে।






