দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে পুলিশ পরিদর্শক মো. ফখরুদ্দীন ভূঞা ও তার স্ত্রী জাহানারা খানমের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে, আজকের পত্রিকা অনুসারে।
দুদকের এজাহারে বলা হয়েছে, জাহানারা খানমের নামে ৯৮ লাখ ৯২ হাজার ৭৭৭ টাকার স্থাবর‑অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে; ঋণ বাদ দিয়ে তার নিট সম্পদ ৭৩ লাখ ৪৯ হাজার ৮৪২ টাকা। তার ২০২৩‑২৪ করবর্ষের গ্রহণযোগ্য আয় ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৩৩৪ টাকা, আর পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ১৮ লাখ ৬০ হাজার ২৬৩ টাকা, ফলে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ অবৈধ সম্পদ ৮৩ লাখ ২২ হাজার ৩৭১ টাকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক ইব্রাহিম খলিলের এজাহারে জাহানারা খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৭(১) এবং ফখরুদ্দীন ভূঞার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ধারা ১০৯ অনুসারে শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল জানান, মামলা বুধবার ১৪ অক্টোবর (২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে একই মামলায় দুটি পৃথক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে: প্রথমে ফখরুদ্দীন ভূঞার বিরুদ্ধে ৯০ লাখ ৯১ হাজার ২৬৭ টাকার সম্পদ গোপন, মিথ্যা বিবৃতি এবং ১ কোটি ৫৫ লাখ ৯৫ হাজার ৯১১ টাকার বাস্তব সম্পদ লুকিয়ে রাখার অভিযোগ, যার ফলে ৯২ লাখ ১১ হাজার ৯৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে; দ্বিতীয়ে জাহানারা খানমের বিরুদ্ধে ৮৩ লাখ ২২ হাজার ৩৭১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ। ঢাকা পোস্টের মতে, এই দুই অভিযোগ ১৫ অক্টোবর (২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
এখানে উভয় সূত্রের মধ্যে মামলার দায়ের তারিখ এবং ফখরুদ্দীন ভূঞার সম্পদ সংক্রান্ত পরিমাণে পার্থক্য রয়েছে; আজকের পত্রিকা ফখরুদ্দীন ভূঞার সম্পদ বা আয়ের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেনি, যেখানে ঢাকা পোস্টে বিস্তারিত সংখ্যা দেওয়া হয়েছে। উভয় সূত্রই দুদকের উপসহকারী পরিচালক ইব্রাহিম খলিলকে মামলার দায়েরকারী হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এই মামলায় যদি অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত পাওয়া যায়, তবে দুদক তাদেরও আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে।






