রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ফুজি ফিল্মের মোড়কে নকল এক্স-রে ফিল্ম এবং নিম্নমানের রক্তের নমুনা সংগ্রহের টিউব সরবরাহ করার অভিযোগ উঠেছে দুজন ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। আজকের পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, এক্স-রে ফিল্ম সরবরাহের জন্য মতিউর রহমান নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে গত ২৬ সেপ্টেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি ১০ অক্টোবর ফিল্ম সরবরাহ করে ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিল জমা দেয়। তবে বাংলাদেশে ফুজির একমাত্র পরিবেশক মেডি গ্রাফিক ট্রেডিং লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) রিফাত হাসান জানান, সরবরাহতকৃত ফিল্মগুলো ফুজির আসল পণ্য নয়। তিনি দাবি করেন, এসব নিম্নমানের ফিল্মে দ্রুত ছবি নষ্ট হয়ে যায় এবং এক্স-রে মেশিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবশ্য ঠিকাদার মতিউর রহমান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফিল্ম নকল হতে পারে না এবং প্রয়োজনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে পারে।
অন্যদিকে, গেটওয়ে ইন্টারন্যাশনাল নামের অপর এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আড়াই লাখ ভ্যাকুটেইনার টিউবের স্থানে ১ লাখ ৪০ হাজার চায়না জিআর ব্র্যান্ডের নিম্নমানের টিউব সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে ২০ লাখ টাকার বিল জমা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী সোহেল রানা জানান, জেএমআই কোম্পানির টিউব না থাকায় হাসপাতালের সঙ্গে কথা বলেই সাময়িকভাবে জিআরের টিউব দেওয়া হয়েছিল।
আজকের পত্রিকা জানায়, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সভাপতি ডা. হাসানুল হাসিব এসব অভিযোগ বিষয়ে বলেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে টেন্ডারের মাধ্যমে মালামাল নেওয়া হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হাসপাতালের পরিচালক বা মুখপাত্রের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। তবে হাসপাতালের মুখপাত্রের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।






