কক্সবাজারের উখিয়া ইনানীর টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে ১৭ অক্টোবর অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটকের মৃত্যু ঘটেছে। বাংলা ট্রিবিউন অনুসারে, মৃতদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফয়িজান আহম্মেদ অন্তর্ভুক্ত। বাকি মৃতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

পুলিশ জানায়, মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন ছিলেন এবং দেহের অবস্থা এতটাই পুড়ে গেছে যে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

আইনি প্রক্রিয়া ও অভিযুক্ত

উখিয়া থানায় ১৭ অক্টোবর দণ্ডবিধির ৩০৪এ, ৩৩৮ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগসহ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় রিসোর্টের মালিক তানভীর সুলতান মিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে; ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত অন্য মালিক নিয়াজ মোর্শেদের নাম এখনও এজাহারে নেই। সমকালের প্রতিবেদনও একই তথ্য তুলে ধরে এবং যোগ করে যে নিয়াজ মোর্শেদ পূজার ছুটিতে ছিলেন, তাই তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

মামলায় রিসোর্টের প্রধান ব্যবস্থাপক সাঈদ আহাম্মেদ, ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাঈদ এবং সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ মোট চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে; সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ১৯ অজ্ঞাত কর্মচারীর নামও অভিযুক্ত হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

রিসোর্টের ওয়েবসাইটে তানভীর সুলতান মিয়া ও নিয়াজ মোর্শেদের ছবি ও নাম মালিক হিসেবে প্রদর্শিত হলেও, এজাহারে নিয়াজের নাম না থাকায় আইনজীবী সেজান এহসান মামলার নির্বাচন ও ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, “প্রথমে আমরা একজনের নাম পেয়েছি, এখন আরেকজনের নাম আসছে; আরও নাম পাওয়া গেলে মামলায় যুক্ত করা হবে।”

ইত্তেফাক ও আজকের পত্রিকা অন্যান্য দুর্ঘটনা (সমুদ্র ডুবে যাওয়া) সম্পর্কে রিপোর্ট করেছে, যা টুপটুপ রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; এই বিষয়গুলো আলাদা ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউন এবং সমকাল উভয়ের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত।